al zazira/আল জাজিরার অনুসন্ধানে আলোচিত কে এই হারিস এবং কে এই জোসেফ??কী তাদের আসল পরিচয়???

alzazira/আল জাজিরার অনুসন্ধানে আলোচিত কে  এই হারিস  এবং কে এই জোসেফ??কী তাদের আসল পরিচয়???জানতে হলে পড়তে থাকুন।

হারিস ও জোসেফ বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধান আজিজ আহমেদের ছোট ভাই।বিমানবাহিনীর একজন সাবেক সদস্য ওয়াদুদ আহমেদ ছিলেন তাদের বাবা। তাদের পৈতৃক বাড়ি ছিল চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের টরকী নামক গ্রামে। তারা মোট ৫ ভাই ছিলেন।তাদের নামঃ-সাঈদ আমমেদ টিপু,আজিজআহমেদ(বর্তমান সেনাপ্রধান),হারিস আহমেদ,আনিস আহমেদ,তোফায়েল আহমেদ জোসেফ ।

al zazira/আল জাজিরার অনুসন্ধান

৯০ দশকের রাজধানির মোহাম্মদপুরের কিলার বাহিনীরপ্রধান ছিলেন হারিস আহমেদ।হারিস শুধু দেশে নয়,সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে আর্ন্তজাতিক খ্যাতিসম্পূর্ন একজন ব্যক্তি।হারিস আহমেদের নাম ইন্টারপোলের  শীর্ষসন্ত্রাসীদের তালিকায় জায়গা দখল করে নিয়েছে।রাজধানীর মোহাম্মদপুরের এক হত্যামামলায় ২০০৪ সালে তাকে আসামি করা হয়।বিচারে তার যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয় নিম্ন আদালত।এরপর তিরি পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয় এবং সেখানেই দীর্ঘসময় অবস্থান করেন ।হারিস ৯০ দশকের শুরুতে জাতীয়পার্টি করলেও তা ছেড়ে যুবলীগে যোগদান করে মোহাম্মদপুরের নেতা বনে যান।ঢাকার ৪৪ নম্ব ওয়ার্ড থেকে কমিশনার পদে নির্বাচন করেছিলেন।এই হারিসের হাতে গুলি ও পিস্তল তুলে দিয়েছিলেন একজন বুয়া।

Zosef জোসেফ al zazira/আল জাজিরার অনুসন্ধানে আলোচিত কে  এই হারিস  এবং কে এই জোসেফ??কী তাদের আসল পরিচয়???
Zosef জোসেফ 

তোফায়েল আহমেদ জোসেফ
তার বড় ভাই হারিস আহমেদের হাত ধরে রাজধানীতে আসেন এবং তার কেডার বাহিনীর প্রধান হন।এরপর থেকেই মোহাম্মদপুর সহ আশেপাশের এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব করেন জোসেফ।যোগদেন তখনকার আলোচিত বাহিনী সেভেন ষ্টার গ্রুপে।সেসময় পুরো রাজধানী সেভেন ষ্টার গ্রুপ ও ফাইভ ষ্টার গ্রুপ নামে ২টি বাহিনী নিয়ন্ত্রন করত।সন্ত্রাসী এমপি হাজী মকবুল এর সাথে টক্কর লাগে জোসেফ।তাদের গুলাগুলিতে একসময় জোসেফের বড় ভাই সাঈদ আমমেদ টিপু,আজিজ নিহত হন।১৯৯৬ সালে ৭ই মে মোহাম্মদপুরের ব্যবসায়ি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে হারিস বাহিনী।এই হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয় জোসেফ।তার নামে  ঢাকার বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি,খুন,অবৈধ অস্ত্রবহনের অত্যন্ত ১১টি মামলা ছিল।এভাবেই শীর্ষসন্ত্রাসীদের তালিকায় নাম আসে জোসেফের।১৯৯৯ সালে হত্যা মামলায় জোসেফকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেন বিচারিক আদালত একং হাইকোর্ট তা বহাল রাখলেও আপিল বিভাগ শাস্তি কমিয়ে যাবজ্জীবন করে।

হারিস/Haris al zazira/আল জাজিরার অনুসন্ধানে আলোচিত কে  এই হারিস  এবং কে এই জোসেফ??কী তাদের আসল পরিচয়???
হারিস/Haris
২০১৭ সালে বিভিন্ন  মিডিয়ায় প্রচার হয়েছিল যে,কোনও স্বাস্থ্যগত কারন ছাড়াই এবং বিশেষসুবিধাপ্রাপ্ত অবস্থায় জোসেফ ২০ মাস হাতপাতালে কাটিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে আনেন।ভারতে চিকিৎসার জন্য ৩০মে ২০১৮ তারিখে রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় জোসেফ মুক্তি পান।তার অন্য দুই ভাই হারিস এবং আনিস আহমেদ কেও মোস্তফা হত্যার সহযোগী হিসাবে উল্লেখ করা হলেও তারা পলাতক খাকায় গ্রেফতার করা হয়নি।কিন্তু al zazira আলজাজিরার প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে যে,জেনারেল আজিজ আহমেদের ছেলের বিয়েতে বাংলাদেশে হারিস আহমেদ এবং আনিছ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।al zaziraপ্রতিবেদনে বলা হয়েছে আনিস আহমেদ  আছেন কুয়ালা লামপুরে এবং হারিস থাকেন হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে ।তোফায়েল আহমেদ জোসেফকে পাওয়া যায় মালেশিয়াতে।

 

 

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post